শীতের তীব্রতা
বাড়ছে
কর্মজীবন স্থবির
মনবীর সোহান
. বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চলে
জেঁকে বসেছে শীত। আর
দিনে দিনে তাপমাত্রা কমে
শীতের তীব্রতা বাড়ছে বরিশালে ।
ফলে এই ঠান্ডায় কর্মজীবন
হয়ে পড়ছে স্থবির। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে
শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম।একান্ত জরুরী কাজ না
থাকলে রাস্তায় বের হতে চায়
না মানুষ।এদিকে গত সোমবার মৌসুমের
সর্বনিম্ন তাপমাত্র রেকর্ড করা হয়েছে
৬ দশমিক ৮ ডিগ্রী
সেলসিয়াস। আর ঘন্টায় ১১
কিলোমিটার বেগে বাতাস বইছে
আজ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
বরিশাল আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র পর্যবেক্ষক
আনিসুর রহমান। তিনি জানান,
মাঝারি ধরণের শৈত প্রবাহের
কারনে শীতের তীব্রতা বেড়েছে।
সাথে সাথে হালাকা ধরনের
ঠান্ডা বাতাসও বইছে। ২/১ দিন পরে
তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও শীত
যে কমে যাবে এমনটা
নয়। এখন কখনো শীতের
তীব্রতা বাড়বে আবার কখনো
শীতের তীব্রতা কমবে। তিনি বলেন,
কুয়াশা থাকলে তাপমাত্রা বেশি
থাকে, তবে শীত অনুভূত
হয়। বর্তমানে উত্তরদিক থেকে বাতাস বয়ে
চলার কারনে কুয়াশা তেমন
একটা দেখা যাচ্ছে না।
তবে দক্ষিন দিকে বয়ে
চলা বাতাসে কুয়াশার পরিমানটা
বাড়বে। তাই বলা চলে
শৈত প্রবাহ চেলে গেলে
কুয়াশার পরিমান বাড়বে। এদিকে
ঠাণ্ডা বাতাস ও তীব্র
শীতে কাতর হয়ে পড়েছে
দক্ষিনের এই জনপদের মানুষ।
দুপুরের রোদেও গরম কাপড়
মুড়িয়ে চলাফেরা করছে সাধারণ মানুষ।
হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়া
রোগীদের সংখ্যা বাড়ছে। যার
মধ্যে শিশু ও বয়োজেষ্ঠ্যদের
সংখ্যাই বেশি। যথাসময়ে সূর্যের
দেখা মিললেও বেলা বাড়ার
পরেও শীতের কারনে রাস্তাঘাট
অনেকটা ফাঁকা থাকছে। ফলে
এই ঠান্ডায় কর্মজীবন হয়ে পড়ছে স্থবির।গতকাল
নগরী ঘুরে দেখা গেছে,
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে।অন্যদিকে
একান্ত জরুরী কাজ না
থাকলে রাস্তায় বের হতে চায়
না মানুষ।সন্ধ্যার পরপরই রাস্তাগুলো হয়ে
যায় জনশূন্য।

No comments:
Post a Comment