বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার(অতিরিক্ত
সচিব) রাম চন্দ্র দাস বলেছেন, আমাদের দেশের মৃৎশিল্পীদের পাতিষ্ঠানিকভাবে
ধারন করে রাখতে হবে। মৃৎশিল্পদের মাধ্যমে আমাদের
সমাজে সভ্যতার যাত্রা শুরু হয়েছিল এখন তারাই বিপথ্যের পথে এসে দাঁড়িয়েছে। আমরা শিল্পীদের মৃত্যুর পর অনেক কিছুই স্মৃর্তিচারন করে অনেক কথাই বলি কিন্তু তাদের
জীবনদশায় তাদের বাছিয়ে রাখার জন্য কিছু করা হয় না। গতকাল মঙ্গলবার বরিশাল অশ্বিনী কুমার টাউন হলে ১০ম মৃৎ শিল্পী সম্মেলন ও
সম্মাননা-২০১৮দুইদিন ব্যাপি অনুষ্ঠানের সমাপনি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি
একথা বলেন।
বরিশাল চারুকলা সংগঠনের সভাপতি আলতাফ হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মাননা
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কথা সাহিত্যিক অধ্যাপক বুলবন
ওসমান,শিল্প সমালোচক অধ্যাপক সৈয়দ আজিজুল হক,সম্পাদক কালি ও কলমআবুল হাসনাত,দৈনিক সমকালের উপ-সম্পাদক অজয় দাস গুপ্ত,বরিশাল শব্দাবলী গ্র“প থিয়েটারেরসভাপতি
সৈয়দ দুলাল,বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদ সভাপতি
কাজল ঘোষ,মাইনরটি রাইটস ফোরাম সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মানস
মিত্র,বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ,অধ্যক্ষডা.ভাস্কর সাহা,শিল্পী বিশ্বেশ্বর পাল,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
মৃৎশিল্প বিভাগের
সহকারী অধ্যাপক চিন্ময়ী সিকদার,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
ইংরেজি বিভাগ চেয়ারম্যানকাজল বানার্জী,ঢাবি চারুকলা
ডিন নিসার হোসেন, নাসিম আহমেদ নাদভী,বরিশাল পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি রাখাল চন্দ্র দে,সাধারন সম্পাদক মানিক মুখার্জী কুডু প্রমখ। এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের আহবায়ক সাংবদিক সুশান্ত ঘোষ, ও সদস্য সচিব বাপ্পি মজুমদার। এসময় প্রধান অতিথি বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার রাম চন্দ্র দাস আগামীতে প্রতিমা নির্মানকারী
শিল্পীদের প্রতিযোগীতায় রাখার জন্য আয়োজকদের প্রতি আহবান জানান। পড়ে ১০ম মৃৎশিল্পী সম্মাননা
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠন ও পরিবারের পক্ষ থেকে ১শত ৩২ জন মৃৎশিল্পীদের হাতে সনদ
ও ক্রেস্ট প্রদান করেন প্রধান অতিথি সহ বিশেষ অতিথি বৃন্দ। এর পূর্বে আমন্ত্রিত অতিতিদের উত্তরন পড়িয়ে সম্মাননা জানান শিল্পী সম্মেলন ও সম্মাননা
সংগঠনের পক্ষ থেকে।

No comments:
Post a Comment