শামীম আহমেদ . ইউপি চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর জাল করে পরিষদের প্যাডে মনগড়া
কথা লিখে এক পল্লী চিকিৎসকের
বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করে হয়রানী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সঠিক
তদন্তের মাধ্যমে মিথ্যে মামলা থেকে রেহাই পেতে হয়রানীর শিকার পল্লী চিকিৎসক দেলোয়ার হোসেন সেরনিয়াবাত সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের
হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ঘটনাটি জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের সোনাহার
গ্রামের। বুধবার দুপুরে আগৈলঝাড়া উপজেলার বরিয়ালী গ্রামের মৃত সুলতান
হোসেন সেরনিয়াবাতের পুত্র দেলোয়ার হোসেনের অভিযোগে জানা গেছে, সোনাহার
গ্রামের মৃত মজিবর রহমান সরদারের কন্যা নাসরিন আক্তারের সাথে সামাজিকভাবে তার বিয়ে
হয়। বিয়ের কয়েকদিন পর স্ত্রী নাসরিনের বেপরোয়া চলাচলের প্রতিবাদ
করায় তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। একপর্যায়ে নাসরিন পালিয়ে ঢাকায় গিয়ে বসবাস শুরু করে। অভিযোগে
আরও জানা গেছে, চাখার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ খিজির সরদারের স্বাক্ষর জাল
করে পরিষদের প্যাডে মনগড়া কথা লিখে নাসরিন আক্তার যৌতুক নিরোধ আইনে ঢাকার মোকাম বিজ্ঞ
সিএমএম আদালতে একটি মিথ্যে মামলা দায়ের করে (সিআর মামলা নং ৭০২/২০১৭)। মামলায়
নাসরিন আক্তার উল্লেখ করেন, স্থানীয় ইউনিয়ন গ্রাম আদালতে মামলা দায়ের করা সত্বেও আসামি
দেলোয়ার হোসেন কোন কর্ণপাত করেননি। চাখার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ খিজির সরদার পরিষদের প্যাডে
লিখিতভাবে জানান, নাসরিন আক্তার ইউনিয়ন গ্রাম আদালতে তার স্বামী দেলোয়ার হোসেন
সেরনিয়াবাতের বিরুদ্ধে কোনদিনই মামলা কিংবা অভিযোগ দায়ের করেননি। উল্টো
প্রতারনার মাধ্যমে তার (চেয়ারম্যান) স্বাক্ষর জাল করে পরিষদের প্যাডে মনগড়া কথা লিখে
আদালতে জমা দেয়া হয়েছে। মামলায় দীর্ঘদিন থেকে হয়রানীর শিকার পল্লী চিকিৎসক দেলোয়ার হোসেন সেরনিয়াবাত সঠিক তদন্তের মাধ্যমে মিথ্যে
মামলা থেকে রেহাই পেতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
No comments:
Post a Comment