শহিদুল ইসলাম . নগরীর প্রধান সড়কগুলোর বেশির
ভাগেই রয়েছে ছোট-বড় গর্ত। তবে ওয়ার্ড পর্যায়ের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর অবস্থা বেশি বেহাল। এ কারনে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে স্বাভাবিক
যান চলাচলে। সড়কের এই বেহাল দশার সাথে বাড়তি ভোগান্তির কারন হিসাবে দেখছে অভিভাবকহীন নগরভবন।বিসিসির সকল সেবা থেকেই বঞ্চিত
এমন অভিযোগ নগরবাসির। তবে নগরীর সড়কগুলোর রক্ষণাবেক্ষণকারী সংস্থা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের
দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের সংস্কার কাজ বন্ধ রয়েছে অর্থ অভাবে। নগরীর ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক প্রসঙ্গে
জানতে চাইলে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান
প্রকৌশলী নগরীর অধিকাংশ সড়কের এমন অবস্থা স্বীকার করে বলেন, যেখানে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছে না সেখানে সড়কের
সংস্কার করবে কিভাবে। এখন আর নতুন মেয়র মহাদয় না বসা পর্যন্ত নগরীর ক্ষতিগস্ত সড়কের
সংস্কার করা সম্বান নয়।তিনি আরও জানান,বিসিসির ইঞ্জিনিয়ারেরা কতগুলো ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক রয়েছে তার উপরএকটা তালিকা তৈরি করছে। এটা নিয়ে নবনির্বাচিত মেয়র
মহোদয় সাথে বসে সিন্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। এদিকে গতকাল নগরীর বিভিন্ন
সড়ক সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, নাজিরেরপুল থেকে আমানাতগঞ্জ শেষ মাথা,সদর রোড,রুপাতলী বাসস্ট্যান্ড সড়ক,চৌমাথা থেকে সোনামিয়ার পুল,পোর্ট রোড,তাছাড়া ওয়ার্ড প্রর্যায়ের অভ্যন্তরীন
সড়কের তো আরও বেহাল দশা সড়কজুড়ে পুরোটায় খানাখন্দে ভরা। বিভিন্ন ওয়ার্ডের স্থানীয় লোকজন
অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৩-৪ বছরে ও সড়ক সংস্কার
করা হয়নি।রুইয়া এলাকার মামুন মীরা জানান, নবগ্রাম সড়কটির অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। এই সড়কের বেশির ভাগ অংশে কার্পেটিং
উঠে গেছে। কোন কোন জায়গায় কংক্রিট উঠে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এই সড়কটি ৩ বছর আগে একবার সংস্কার
করেছিল সিটি কর্পোরেশন এর পর আর সংস্কার করা হয় নি। নাজিরের পুল থেকে আমানাতগঞ্জের
সিটি কর্পোরেশনের এরিয়া পর্যন্ত সড়কটিও অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এ সড়কেও রয়েছে অসংখ্য গর্ত। স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করে বলেন, অল্প বৃষ্টি হলেই এ সড়কটি তলিয়ে
যায় পানির নিচে।সড়ক জুড়ে বিভিন্ন অংশেও খানাখন্দ রয়েছে। সরেজমিনে ঘুরে ঘুরে দেখা যায় বড় আকারের গর্ত। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দিয়ে
যান চলাচলে সৃষ্ট জটিলতার কারণে যানজটও তৈরি হয়।এছাড়া রুপাতলীর বাসটারমিনালের সড়কটিও জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। এমনিতেই সড়কটি সংকীর্ণ হয়ে যান চলাচলে আছে নানা প্রতিবন্ধকতা। তার উপর কিছু কিছু জায়গায় সৃষ্ট
ছোট-বড় গর্ত যান চলাচলের গতি টেনে ধরছে। সড়কটির অবস্থাও বেশ নাজুক। বিশাল অংশ জুড়েই সড়কটিতে নানা
খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। এখানে ভাঙাচোরা আর গর্তে ভরা রাস্তার কারণে এ সড়কে যানবাহনের
চাকা থেমে যাচ্ছে বারবার। পোর্টরোডের রাস্তা বেশিরভাগ
অংশে সলিং উঠে গেছে এরপরও চলতে বাধ্য হচ্ছে
যানবাহন। তবে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, এসব সড়কের বিভিন্ন অংশেও ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া তিতলির প্রভাবে টানা
দুই তিনের বৃষ্টি পাতের কারনে নগরীর সড়ক গুলো
খানা খন্দ বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। এখনো অনেক সড়কের গর্তগুলোতে পানি জমে রয়েছে।
শহিদুল ইসলাম . নগরীর প্রধান সড়কগুলোর বেশির
ভাগেই রয়েছে ছোট-বড় গর্ত। তবে ওয়ার্ড পর্যায়ের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর অবস্থা বেশি বেহাল। এ কারনে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে স্বাভাবিক
যান চলাচলে। সড়কের এই বেহাল দশার সাথে বাড়তি ভোগান্তির কারন হিসাবে দেখছে অভিভাবকহীন নগরভবন।বিসিসির সকল সেবা থেকেই বঞ্চিত
এমন অভিযোগ নগরবাসির। তবে নগরীর সড়কগুলোর রক্ষণাবেক্ষণকারী সংস্থা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের
দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের সংস্কার কাজ বন্ধ রয়েছে অর্থ অভাবে। নগরীর ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক প্রসঙ্গে
জানতে চাইলে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান
প্রকৌশলী নগরীর অধিকাংশ সড়কের এমন অবস্থা স্বীকার করে বলেন, যেখানে কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন দিতে পারছে না সেখানে সড়কের
সংস্কার করবে কিভাবে। এখন আর নতুন মেয়র মহাদয় না বসা পর্যন্ত নগরীর ক্ষতিগস্ত সড়কের
সংস্কার করা সম্বান নয়।তিনি আরও জানান,বিসিসির ইঞ্জিনিয়ারেরা কতগুলো ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক রয়েছে তার উপরএকটা তালিকা তৈরি করছে। এটা নিয়ে নবনির্বাচিত মেয়র
মহোদয় সাথে বসে সিন্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। এদিকে গতকাল নগরীর বিভিন্ন
সড়ক সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, নাজিরেরপুল থেকে আমানাতগঞ্জ শেষ মাথা,সদর রোড,রুপাতলী বাসস্ট্যান্ড সড়ক,চৌমাথা থেকে সোনামিয়ার পুল,পোর্ট রোড,তাছাড়া ওয়ার্ড প্রর্যায়ের অভ্যন্তরীন
সড়কের তো আরও বেহাল দশা সড়কজুড়ে পুরোটায় খানাখন্দে ভরা। বিভিন্ন ওয়ার্ডের স্থানীয় লোকজন
অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৩-৪ বছরে ও সড়ক সংস্কার
করা হয়নি।রুইয়া এলাকার মামুন মীরা জানান, নবগ্রাম সড়কটির অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। এই সড়কের বেশির ভাগ অংশে কার্পেটিং
উঠে গেছে। কোন কোন জায়গায় কংক্রিট উঠে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এই সড়কটি ৩ বছর আগে একবার সংস্কার
করেছিল সিটি কর্পোরেশন এর পর আর সংস্কার করা হয় নি। নাজিরের পুল থেকে আমানাতগঞ্জের
সিটি কর্পোরেশনের এরিয়া পর্যন্ত সড়কটিও অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। এ সড়কেও রয়েছে অসংখ্য গর্ত। স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করে বলেন, অল্প বৃষ্টি হলেই এ সড়কটি তলিয়ে
যায় পানির নিচে।সড়ক জুড়ে বিভিন্ন অংশেও খানাখন্দ রয়েছে। সরেজমিনে ঘুরে ঘুরে দেখা যায় বড় আকারের গর্ত। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দিয়ে
যান চলাচলে সৃষ্ট জটিলতার কারণে যানজটও তৈরি হয়।এছাড়া রুপাতলীর বাসটারমিনালের সড়কটিও জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। এমনিতেই সড়কটি সংকীর্ণ হয়ে যান চলাচলে আছে নানা প্রতিবন্ধকতা। তার উপর কিছু কিছু জায়গায় সৃষ্ট
ছোট-বড় গর্ত যান চলাচলের গতি টেনে ধরছে। সড়কটির অবস্থাও বেশ নাজুক। বিশাল অংশ জুড়েই সড়কটিতে নানা
খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। এখানে ভাঙাচোরা আর গর্তে ভরা রাস্তার কারণে এ সড়কে যানবাহনের
চাকা থেমে যাচ্ছে বারবার। পোর্টরোডের রাস্তা বেশিরভাগ
অংশে সলিং উঠে গেছে এরপরও চলতে বাধ্য হচ্ছে
যানবাহন। তবে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, এসব সড়কের বিভিন্ন অংশেও ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া তিতলির প্রভাবে টানা
দুই তিনের বৃষ্টি পাতের কারনে নগরীর সড়ক গুলো
খানা খন্দ বেহাল দশায় পরিনত হয়েছে। এখনো অনেক সড়কের গর্তগুলোতে পানি জমে রয়েছে।
No comments:
Post a Comment