শামীম আহমেদ . এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জেলার বানারীপাড়া উপজেলার গাভা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েও ভাল কলেজে ভর্তিতো দূরের কথা অর্থাভাবে লেখাপড়াই অনিশ্চিত হয়ে পরেছে দিনমজুরের মেধাবী পুত্র রবিউল ইসলামের। বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের নরেরকাঠি গ্রামের ভূমিহীন অসুস্থ্য দিনমজুর দুলাল হাওলাদারের পুত্র রবিউল ইসলাম ২০১৫ সালে একই বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পেয়েছিলো। রবিউলের পিতা দীর্ঘদিন থেকে শারিরীকভাবে অসুস্থ্য থাকায় তাদের অভাবের সংসার চলছিলো যেমন নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থায়। নিজের অদ্যম ইচ্ছায় নিজের পড়াশুনার পাশাপাশি গ্রামের শিক্ষার্থীদের
প্রাইভেট পড়িয়ে উপার্জিত অর্থদিয়েই লেখাপড়ার খরচ ও সংসার চালিয়েছে রবিউল। রবিউলের ছোট ভাই জিয়াউল ইসলাম নরেরকাঠি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্র। ক্লাসে তার (জিয়াউল)
রোল নাম্বার এক। রবিউলের দারিদ্র পরিবারে দুই পুত্রর লেখাপড়ার খরচ চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ায় মেধাবী দুই পুত্রের ভবিষ্যত শিক্ষা জীবন নিয়ে দরিদ্র বাবা-মা মহাদুশ্চিন্তায় পরেছেন। রবিউলের ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে একজন চিকিৎসক হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায়। কিন্তু একমাত্র অর্থাভাবে তার স্বপ্ন অনিশ্চিত হয়ে পরেছে। নিজের স্বপ্নকে সত্যিকারে রূপদিতে মেধাবী রবিউল শিক্ষা সচেতন বিত্তবান, প্রতিষ্ঠান ও প্রধানমন্ত্রীর সহযোগীতা কামনা করেছেন।
শামীম আহমেদ . এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জেলার বানারীপাড়া উপজেলার গাভা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েও ভাল কলেজে ভর্তিতো দূরের কথা অর্থাভাবে লেখাপড়াই অনিশ্চিত হয়ে পরেছে দিনমজুরের মেধাবী পুত্র রবিউল ইসলামের। বানারীপাড়া সদর ইউনিয়নের নরেরকাঠি গ্রামের ভূমিহীন অসুস্থ্য দিনমজুর দুলাল হাওলাদারের পুত্র রবিউল ইসলাম ২০১৫ সালে একই বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পেয়েছিলো। রবিউলের পিতা দীর্ঘদিন থেকে শারিরীকভাবে অসুস্থ্য থাকায় তাদের অভাবের সংসার চলছিলো যেমন নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থায়। নিজের অদ্যম ইচ্ছায় নিজের পড়াশুনার পাশাপাশি গ্রামের শিক্ষার্থীদের
প্রাইভেট পড়িয়ে উপার্জিত অর্থদিয়েই লেখাপড়ার খরচ ও সংসার চালিয়েছে রবিউল। রবিউলের ছোট ভাই জিয়াউল ইসলাম নরেরকাঠি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেনীর মেধাবী ছাত্র। ক্লাসে তার (জিয়াউল)
রোল নাম্বার এক। রবিউলের দারিদ্র পরিবারে দুই পুত্রর লেখাপড়ার খরচ চালানো অসম্ভব হয়ে পড়ায় মেধাবী দুই পুত্রের ভবিষ্যত শিক্ষা জীবন নিয়ে দরিদ্র বাবা-মা মহাদুশ্চিন্তায় পরেছেন। রবিউলের ভবিষ্যতে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে একজন চিকিৎসক হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করতে চায়। কিন্তু একমাত্র অর্থাভাবে তার স্বপ্ন অনিশ্চিত হয়ে পরেছে। নিজের স্বপ্নকে সত্যিকারে রূপদিতে মেধাবী রবিউল শিক্ষা সচেতন বিত্তবান, প্রতিষ্ঠান ও প্রধানমন্ত্রীর সহযোগীতা কামনা করেছেন।
No comments:
Post a Comment