বায়ান্নোর
বাংলা ডেস্ক . ৪৩ বছরের পুরনো সার্বজনীন শীতলা মন্দিরের নিজস্ব সম্পত্তি ভূয়া ডিগ্রির মাধ্যমে নিজেদের দাবি করে মন্দিরের
পাকা ভবন নির্মানে বাঁধা প্রদান করেছে স্থানীয় চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা। উল্টো মন্দির কমিটির বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করে হয়রানী
করা হচ্ছে। ঘটনাটি জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বড় বাশাইল
গ্রামের।
মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রিয়লাল কর্মকার জানান, বড়বাশাইল পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হরলাল চক্রবর্তী ১৯৭৫ সালে সার্বজনীন শীতলা মন্দির নির্মানের জন্য পশ্চিমপাড়া এলাকার তার নিজস্ব
সম্পত্তি থেকে মন্দিরের নামে ২৮ শতক সম্পত্তি দান করেন।
পরবর্তীতে ওই সম্পত্তির মধ্যে মন্দির নির্মান করা হয়। সম্প্রতি সময়ে মন্দিরের পুরো সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য ভূয়া ডিগ্রির মাধ্যমে মালিকানা দাবি করে স্থানীয়
মৃত্যুঞ্জয় রায় বাদি হয়ে মন্দির
কমিটির বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। প্রিয়লাল কর্মকার আরও জানান,
সরেজমিন তদন্তে মামলার অভিযোগ মিথ্যে প্রমানিত হওয়ায় অতিসম্প্রতি মন্দিরের পাকা ভবন নির্মান
কাজ শুরু করা হয়। এরপর পূর্ণরায় মন্দির কমিটিকে হয়রানী করে সম্পত্তি
দখলের কৌশল হিসেবে মৃত্যুঞ্জয় রায়ের পুত্রবধূ পুস্প বৈদ্য বাদি হয়ে মন্দিরের
পাকা ভবন নির্মান কাজ বন্ধ করার জন্য আদালতে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ মন্দিরের পাকা ভবন নির্মান
কাজ বন্ধ করে দেয়। ফলে ওই এলাকার
হিন্দু সম্প্রদায়ের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দরা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সার্বজনীন শীতলা মন্দিরের সম্পত্তি ভূমিদস্যুদের হাত থেকে রক্ষা করাসহ মিথ্যে মামলা থেকে রেহাই পেতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের
উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ
কামনা করেছেন।
No comments:
Post a Comment