
শামীম আহমেদ. কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে আজ সোমবার
৩০
জুলাই
বরিশাল
সিটি
করর্পোরেশন
(বিসিসি)
ভোট।
এখন
শুধু
ভোট
দেওয়ার
অপেক্ষা
ভোটররা।
প্রার্থীরা
বলেন
শঙ্কা-উৎসবের
ভোট
কাল
৩০
জুলাই।
রোববার
সকাল
থেকেই
বরিশালে
সুনসান
নীরবতা
বিরাজ
করছে।
টানা
কদিনের
জমজমাট
প্রচারণা
শেষে
সবই
যেন
থমকে
আছে
আজ
৩০
জুলাই
নির্বাচনের
জন্য।
তবে
রবিবার
দিবাগত
রাতে
কৌশলী
প্রচারণা
চালিয়েছেন
প্রার্থীরা।
বরিশাল
সিটিতে
মোট
৬
জন
মেয়র
প্রার্থী
ও
সাধারণ
কাউন্সিলর
পদে
৯৪
জন
এবং
সংরক্ষিত
কাউন্সিলর
পদে
৩৫
প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করছেন।
এবার
২
লাখ
৪২
হাজার
১৬৬
জন
ভোটার
তাদের
ভোট
দিয়ে
আজ
নগর
পিতা
নির্বাচিত
করবেন।
এরমধ্যে
পুরুষ
ভোটার
১
লাখ
২১
হাজার
৪৩৬
জন
এবং
নারী
ভোটার
রয়েছেন
১
লাখ
২০
হাজার
৭৩০
জন।
নগরের
১২৩টি
কেন্দ্রের
৭৫০টি
বুথে
বিরামহীনভাবে
ভোটগ্রহণ
চলছে।
এরমধ্যে
৪টি
ওয়ার্ডের
১টি
কেন্দ্রে
৭৮টি
বুথে
ভোট
গ্রহণ
করা
হবে
ইলেক্ট্রনিক
ভোটিং
মেশিন
বা
ইভিএম
পদ্ধতিতে।
১২৩টি
কেন্দ্রের
মধ্যে
৫০টি
অধিক
গুরুত্বপূর্ন
(ঝুঁকিপূর্ণ)
ও
৬২টি
গুরুত্বপূর্ণ
এবং
১১টি
কেন্দ্রকে
সাধারণ
কেন্দ্র
হিসেবে
চিহ্নিত
করেছে
পুলিশের
বিশেষ
শাখা।
অধিক
গুরুত্বপূর্ণ
প্রতিটি
কেন্দ্রে
পুলিশ,
এপিবিএন
এবং
আনসার
মিলিয়ে
১৪
জন
সশস্ত্রসহ
মোট
২৪
জন
আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর
সদস্য
দায়িত্ব
পালনে
নিয়োজিত
রয়েছেন।
এছাড়া
গুরুত্বপূর্ণ
ও
সাধারণ
কেন্দ্রে
১২
জন
সশস্ত্র
পুলিশ,
এপিবিএন
ও
আনসারসহ
মোট
২২
জন
সদস্য
দায়িত্বে
নিয়োজিত
থাকবেন।
কেন্দ্রে
দায়িত্ব
পালন
ছাড়ও
পুলিশের
একাধিক
দলকে
টহল
দায়িত্ব
পালনের
পাশাপাশি
রিজার্ভ
এবং
স্ট্রাইকিং
ফোর্স
হিসেবে
প্রস্তুত
রাখা
হয়েছে।
নির্বাচনকালীন
যেকোনো
অপ্রীতিকর
ও
অনাকাঙ্খিত
ঘটনার
বিচারের
জন্য
১০
জন
নির্বাহী
এবং
১০
জন
জুডিশিয়াল
ম্যাজিস্ট্রেট
নিয়োগ
করা
হয়েছে।
এছাড়া
১৯
প্লাটুন
বিজিবি
ছাড়াও
র্যাবের
৩৫টি
টহল
দল
ও
সাদা
পোশাকধারীসহ
প্রায়
সাড়ে
৩শ
সদস্য
কেন্দ্রের
বাইরে
নির্বাচনী
এলাকায়
দায়িত্বে
নিয়োজিত
রয়েছেন।
এছাড়া
সকালে
বরিশাল
জেলা
পুলিশ
লাইন
থেকে
দুর-দুরান্ত
থেকে
আসা
আনসার
সদস্যদেরকে
অস্ত্র(হাতিয়ার)
সরবরাহ
করা
হয়।
অন্যদিকে
নগরীর
নথুল্লাবাদ
প্রধান
নির্বাচন
কার্যলয়
থেকে
১২৩টি
ভোট
কেন্দ্রের
জন্য
দেয়া
হয়েছে
ভোটের
বক্্র,অমোচনীয়
কালি,ব্যালট
পেপার
সহ
নির্বাচনের
দিন
ভোট
কেন্দ্রে
ব্যবহিত
যাবতীয়
সরঞ্জামদী
প্রিজাইডিং
অফিসার,পোলিং অফিসার
সহ
নিরাপত্তা
থাকা
পুলিশ
ও
আনসার
সদস্যদের
হাতে
এসব
তুলে
দেন।
No comments:
Post a Comment