
শামীম আহমেদ. দ্বিতীয় দিনেও ঢাকায় বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী মৃত্যুর বিচারসহ সাত দফা দাবি আদায়ে বরিশালে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। ঘোষিত কর্মসীচীর অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নগরের চৌমাথা এলাকার ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে অবরোধ ও বিক্ষোভ মানববন্ধন করে শিক্ষার্থীরা।
বৃষ্টি উপেক্ষা করে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে শত শত শিক্ষার্থী। এসময় ন্যায় বিচার চেয়ে স্লোগান দেয় শিক্ষাথীরা। স্কুল বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা পোষাক ও ব্যাচ লাগিয়ে আন্দোলনে যোগ দেয়। এসময় বেশ কয়েকটি গাড়ীর লাইসেন্স দেখতে চায় তারা। এতে রুপাতলী ও নথুল্লাবাদ থেকে আসা শত শত যানবাহন আটকা পরে। দূভোগ পোহাতে হয়েছে অটো ও মাহিন্দ্রা যোগে যাতায়াত করা যাত্রীদের। বিক্ষোভ চলাকালে বেশ কিছু যানবাহন বিক্ষোভস্থল থেকে অতিক্রম করার চেষ্টা করলে তাতে বাধা দেয় শিক্ষার্থীরা,
তবে এ্যাম্বুলেন্সসহ
গুরুত্বপূর্ণ যানবাহন শিক্ষার্থীরাই পার করে দেয়। পরে বেলা সোয়া ১২ টার দিকে মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঞা, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার শাহানাজ পারভীনসহ উর্ধতন কর্মকর্তাদের
হস্তক্ষেপে বিক্ষোভ কর্মসূচী স্থগিত করে মহাসড়ক থেকে অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত বরিশাল সরকারী মহিলা মহিলের শিক্ষার্থী সানজিদা আক্তার বলেন, সহপাঠীদের মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত চালক ও হেলপারের শাস্তি সহ নিরাপদ সড়কের দাবিতে আমাদের এ আন্দোলন। সুনির্দিষ্ট আশ্বাস বা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে। স্বাভাবিক মৃত্যুর নিশ্চয়তা ও নিরাপদ সড়ক এখন সময়ের দাবি। শিক্ষার্থীরা
বরিশাল সড়কে চলাচলরত যানবাহনের চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স,নগরের বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করা, অটোরিকশা ও মাহিন্দ্রার (থ্রি-হুইলার) স্ট্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দাবি তোলেন। এসময় বিক্ষোভ-মিছিল ও মানববন্ধনে সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ, অমৃত লাল দে কলেজ, সরকারি
মহিলা কলেজ, সরকারি মডেল কলেজ, ইনফ্রা
পলিটেকনিক, সরকারী
মহিলা কলেজ, বরিশাল সরকারী জিলা স্কুল, উদায়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়েসহ সহ বেশ কিছু স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
No comments:
Post a Comment