বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমানে দক্ষিনাঞ্চলের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়ার ঘোষনা ব্যার্থতায় পর্যবেশিত হতে যাচ্ছে একটি অবৈধ চক্রের কারনে। আর এই চক্রটি এতোই শক্তিশালী যে প্রধানমন্ত্রির চাইতেও নিজেদের ক্ষমতাশালী বলে ঘোষনা করে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। সূত্র অনুযায়ী, ২০১৫ সালে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষকাঠী গ্রামে পল্লী বিদ্যুৎতের দপ্তর অত্র এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্দ্যেগ নিলে তৎপর হয়ে উঠে স্থানীয় একটি দালাল চক্র। আর এই চক্রের নেতৃত্বে রয়েছে ইনসুলেন্স কোম্পানীর দালাল হিসেবে চিহ্নিত মাদ্রাসার আরবী শিক্ষক নুর হোসেন গাজী। ঐ গ্রামের মজিদ,বারেক, আলাউদ্দিন, সোহেল, কালাম,
জাহাঙ্গীর, বাদল,
মোশারফ, মজিবর,
শাহিন, মাহাবুবসহ ৩৮ জন বাসিন্দাদের কাছ থেকে নিজেই বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের কথা বলে প্রত্যেক গ্রামবাসীর কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা হিসেবে সর্ব মোট প্রায় সোয়া ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় নুর হোসেন গাজী। একাজে নিজের এই অপকর্ম’র সঙ্গী হিসেবে বেছে নেন স্থানীয় এমপির আস্থাভাজন মানিক হাওলাদার এবং পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ইলেকট্রিশিয়ান আকবর,কবির ও সরোয়ার। পল্লী বিদ্যুৎতের বাকেরগঞ্জ জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়,প্রধানমন্ত্রীর
ঘোষনা অনুযায়ী প্রতিটি গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগ পাবেন সম্পুর্ন বিনামূল্যে। শুধু মাত্র মিটারের মূল্য ব্যাবদ ৪ শত ৫০ টাকা পরিশোধ করবেন গ্রাহক। সেইখানে সাধারন গ্রাম বাসিদের সরলতার সুযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসে ঘুষ প্রদানের কথা বলে নুর হোসেন গাজী হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা। টাকা নেওয়ার সময় গ্রামবাসীকে নুর হোসেন গাজী বলেন,প্রধানমন্ত্রী নয় তোমাদের বিদ্যুৎ দিবো আমি। আর তার এই কথায় বিশ^াস করে একে একে উল্লেখিত ব্যাক্তিরা কোন রকম দ্বিধা না করে টাকা তুলে দেন নুর হোসেন গাজীর হাতে। সরজমিনে উক্ত এলাকা পরির্দশনে গেলে স্থানীয়রা জানায় নুর হোসেন গাজীর বাড়ি কৃষকাঠী হলেও তিনি গ্রামে না থেকে বাকেরগঞ্জ শহরে তার নির্মিত বহুতল ভবনে বসবাস করছেন। আর ঐখানে বসেই শিক্ষকতার আড়ালে ইনস্যুরেন্স কোম্পানীর দালালী,ভূমিদস্যুতা,সরকার বিরোধী আন্দোলনে সহযোগীতাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন। বশির হাওলাদার নামে আর এক গ্রামবাসী জানান, ১ মাসের মধ্যে আমাদেরকে বিদ্যুৎত সংযোগ দেওয়ার কথা বলে টাকা নিলেও আজ পর্যন্ত আমরা বিদ্যুৎ পাইনি। এনিয়ে গ্রামবাসীর সাথে একাধিক বার বাকবিতন্ডা হলে তিনি গ্রামবাসীকে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে জেল খাটানোর হুমকি দেন। নাম প্রকার্শে অনিচ্ছুক অপর এক গ্রামবাসী বলেন, নুর হোসেন গাজী বেশ কয়েকটি মামলার আসামী । এবিষয়ে নুর হোসেন গাজীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, টাকা আমি একা নেইনি। এটাকার ভাগ দিয়েছি মানিক হাওলাদার এবং পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ইলেকট্রিশিয়ান আকবর,কবির ও সরোয়ারকে। তবে সরোয়ার ও আকবর টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন,আমরা কোন টাকা নেইনি। সমস্ত টাকা নুর হুজুরে একাই খেয়েছে। ভুক্তভোগীরা গত ২৯ জুলাই নুর হোসেন গাজীকে ঘেরাও করে বাকেরগঞ্জ জোনাল অফিসে নিয়ে আসলে সেখানে বসে হাতাহাতিতে লিপ্ত হয় নুর হোসেন গাজী ও ইলেকট্রিশিয়ান আকবর। পরক্ষনে আকবর ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে সটকে পড়লে ভুক্তভোগীরা নুর হোসেন গাজীকে ধরে সরাসরি নিয়ে যান পল্লী বিদ্যুৎ বাকেরগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম সঞ্জয় রয়’র কাছে। তিনি পুরোঘটনা শুনে নুর হোসেন গাজীকে ভৎর্ষনা করেন এবং গ্রাহকদের পরামর্শ দেন নুর হোসেন গাজীকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে। তবে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের তৎক্ষনিক তৎপরতায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন নুর হোসেন গাজী। এবিষয়ে অভিযুক্ত আকবর,কবির ও মানিক হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা অভিন্ন সুরে বলেন,আমরা কোন টাকা নেইনি। নিজের পিঠ বাঁচাতে নুর হোসেন গাজী আমাদের নাম বলছে। বিষয়টি নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ বাকেরগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম সঞ্জয় রয় বলেন, প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়ার সম্পূর্ন খরচ সরকার বহন করে। এক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছ থেকে কোন টাকা গ্রহনের সুযোগ নেই। কিন্তু সরকারের সব সিদ্ধান্তকে অগ্রাহ্য করে নি¤œবিত্ত
মানুষের দূর্বলতাকে পুজি করে গ্রাহকদের ভুল বুঝিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করছে একটি চক্র। আমরা মাইকিং করে জনগনকে সতর্ক করলেও একটি দালাল চক্রের কারনে আজ এই অবস্থা। তিনি আরো বলেন, কোন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে। অভিযোগ প্রসঙ্গে পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বরিশাল বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক
প্রকৌশলী সুনিল কুমার ঘোষ বলেন,সরকার সম্পূর্ন বিনা খরচে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দিচ্ছে। এক্ষেত্রে গ্রাহককে কোন টাকা প্রদান করতে হবেনা। যদি কেউ কোন গ্রাহকের কাছ থেকে একটি টাকাও গ্রহন করে তাথলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইননানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ বির্নিমানে দক্ষিনাঞ্চলের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়ার ঘোষনা ব্যার্থতায় পর্যবেশিত হতে যাচ্ছে একটি অবৈধ চক্রের কারনে। আর এই চক্রটি এতোই শক্তিশালী যে প্রধানমন্ত্রির চাইতেও নিজেদের ক্ষমতাশালী বলে ঘোষনা করে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা। সূত্র অনুযায়ী, ২০১৫ সালে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষকাঠী গ্রামে পল্লী বিদ্যুৎতের দপ্তর অত্র এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগের উদ্দ্যেগ নিলে তৎপর হয়ে উঠে স্থানীয় একটি দালাল চক্র। আর এই চক্রের নেতৃত্বে রয়েছে ইনসুলেন্স কোম্পানীর দালাল হিসেবে চিহ্নিত মাদ্রাসার আরবী শিক্ষক নুর হোসেন গাজী। ঐ গ্রামের মজিদ,বারেক, আলাউদ্দিন, সোহেল, কালাম,
জাহাঙ্গীর, বাদল,
মোশারফ, মজিবর,
শাহিন, মাহাবুবসহ ৩৮ জন বাসিন্দাদের কাছ থেকে নিজেই বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের কথা বলে প্রত্যেক গ্রামবাসীর কাছ থেকে ৬ হাজার টাকা হিসেবে সর্ব মোট প্রায় সোয়া ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় নুর হোসেন গাজী। একাজে নিজের এই অপকর্ম’র সঙ্গী হিসেবে বেছে নেন স্থানীয় এমপির আস্থাভাজন মানিক হাওলাদার এবং পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ইলেকট্রিশিয়ান আকবর,কবির ও সরোয়ার। পল্লী বিদ্যুৎতের বাকেরগঞ্জ জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়,প্রধানমন্ত্রীর
ঘোষনা অনুযায়ী প্রতিটি গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগ পাবেন সম্পুর্ন বিনামূল্যে। শুধু মাত্র মিটারের মূল্য ব্যাবদ ৪ শত ৫০ টাকা পরিশোধ করবেন গ্রাহক। সেইখানে সাধারন গ্রাম বাসিদের সরলতার সুযোগ নিয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসে ঘুষ প্রদানের কথা বলে নুর হোসেন গাজী হাতিয়ে নিয়েছেন মোটা অংকের টাকা। টাকা নেওয়ার সময় গ্রামবাসীকে নুর হোসেন গাজী বলেন,প্রধানমন্ত্রী নয় তোমাদের বিদ্যুৎ দিবো আমি। আর তার এই কথায় বিশ^াস করে একে একে উল্লেখিত ব্যাক্তিরা কোন রকম দ্বিধা না করে টাকা তুলে দেন নুর হোসেন গাজীর হাতে। সরজমিনে উক্ত এলাকা পরির্দশনে গেলে স্থানীয়রা জানায় নুর হোসেন গাজীর বাড়ি কৃষকাঠী হলেও তিনি গ্রামে না থেকে বাকেরগঞ্জ শহরে তার নির্মিত বহুতল ভবনে বসবাস করছেন। আর ঐখানে বসেই শিক্ষকতার আড়ালে ইনস্যুরেন্স কোম্পানীর দালালী,ভূমিদস্যুতা,সরকার বিরোধী আন্দোলনে সহযোগীতাসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন। বশির হাওলাদার নামে আর এক গ্রামবাসী জানান, ১ মাসের মধ্যে আমাদেরকে বিদ্যুৎত সংযোগ দেওয়ার কথা বলে টাকা নিলেও আজ পর্যন্ত আমরা বিদ্যুৎ পাইনি। এনিয়ে গ্রামবাসীর সাথে একাধিক বার বাকবিতন্ডা হলে তিনি গ্রামবাসীকে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে জেল খাটানোর হুমকি দেন। নাম প্রকার্শে অনিচ্ছুক অপর এক গ্রামবাসী বলেন, নুর হোসেন গাজী বেশ কয়েকটি মামলার আসামী । এবিষয়ে নুর হোসেন গাজীর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, টাকা আমি একা নেইনি। এটাকার ভাগ দিয়েছি মানিক হাওলাদার এবং পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের ইলেকট্রিশিয়ান আকবর,কবির ও সরোয়ারকে। তবে সরোয়ার ও আকবর টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন,আমরা কোন টাকা নেইনি। সমস্ত টাকা নুর হুজুরে একাই খেয়েছে। ভুক্তভোগীরা গত ২৯ জুলাই নুর হোসেন গাজীকে ঘেরাও করে বাকেরগঞ্জ জোনাল অফিসে নিয়ে আসলে সেখানে বসে হাতাহাতিতে লিপ্ত হয় নুর হোসেন গাজী ও ইলেকট্রিশিয়ান আকবর। পরক্ষনে আকবর ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে সটকে পড়লে ভুক্তভোগীরা নুর হোসেন গাজীকে ধরে সরাসরি নিয়ে যান পল্লী বিদ্যুৎ বাকেরগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম সঞ্জয় রয়’র কাছে। তিনি পুরোঘটনা শুনে নুর হোসেন গাজীকে ভৎর্ষনা করেন এবং গ্রাহকদের পরামর্শ দেন নুর হোসেন গাজীকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে। তবে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের তৎক্ষনিক তৎপরতায় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন নুর হোসেন গাজী। এবিষয়ে অভিযুক্ত আকবর,কবির ও মানিক হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করলে তারা অভিন্ন সুরে বলেন,আমরা কোন টাকা নেইনি। নিজের পিঠ বাঁচাতে নুর হোসেন গাজী আমাদের নাম বলছে। বিষয়টি নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ বাকেরগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম সঞ্জয় রয় বলেন, প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়ার সম্পূর্ন খরচ সরকার বহন করে। এক্ষেত্রে গ্রাহকের কাছ থেকে কোন টাকা গ্রহনের সুযোগ নেই। কিন্তু সরকারের সব সিদ্ধান্তকে অগ্রাহ্য করে নি¤œবিত্ত
মানুষের দূর্বলতাকে পুজি করে গ্রাহকদের ভুল বুঝিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করছে একটি চক্র। আমরা মাইকিং করে জনগনকে সতর্ক করলেও একটি দালাল চক্রের কারনে আজ এই অবস্থা। তিনি আরো বলেন, কোন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে। অভিযোগ প্রসঙ্গে পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বরিশাল বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক
প্রকৌশলী সুনিল কুমার ঘোষ বলেন,সরকার সম্পূর্ন বিনা খরচে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দিচ্ছে। এক্ষেত্রে গ্রাহককে কোন টাকা প্রদান করতে হবেনা। যদি কেউ কোন গ্রাহকের কাছ থেকে একটি টাকাও গ্রহন করে তাথলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইননানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
No comments:
Post a Comment