শামীম আহমেদ . চলতি আগস্ট মাসের শেষের দিকে উদ্যাপিত হবে ঈদ-উল আযহা। তাই কর্মজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ স্বজনদের নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ফিরবেন আপন ঠিকানায়। নারীর টানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থান থেকে দক্ষিণাঞ্চলে ফিরবেন কয়েক লাখ মানুষ। দক্ষিণের এসব জনপদের মানুষের কাছে অন্যতম যোগাযোগ ব্যবস্থা নদীপথ। তাই ঈদে ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে নিয়মিতর পাশাপাশি বিশেষ সার্ভিসের ব্যবস্থা করে থাকেন লঞ্চ মালিকরা। এবারেও তার ব্যতিক্রম ঘটছেনা। ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে ঈদে ঘরমুখো মানুষের জন্য লঞ্চের কেবিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের বিলাসবহুল যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোর মধ্যে এমভি কীর্তনখোলা-১০ ও কীর্তনখোলা-২ লঞ্চ কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার থেকে টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। সরাসরি আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে এ টিকিট বিক্রি কার্যক্রম চলবে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। কোম্পানির এজিএম রিয়াজুল করিম বেল্লাল জানান, কেবিন
খালি থাকলে নির্ধারিত সময়ের পরেও যে আগে আসবে তাকে কেবিন দেয়া হবে। তিনি বলেন, ঈদ সার্ভিসের ভাড়া বর্তমানের তুলনায় কিছুটা বাড়বে। তবে সেটা অবশ্যই সরকারের নির্ধারিত ভাড়ার ওপরে নয়। কোনো ধরনের স্লিপের সুযোগ নেই এবং পুরো ভাড়া পরিশোধ করে কেবিনের টিকিট বুকিং দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, ঈদ সার্ভিস শুরুর সময় এখনো নির্ধারন হয়নি। তবে যাত্রীদের দুর্ভোগ এড়াতে এবং কালোবাজারীদের
হাত থেকে যাত্রীদের হয়রানী রোধে অগ্রিম টিকিট বিক্রি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সুরভী লঞ্চের কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা অভি আহমেদ জানান, ১ আগস্ট থেকে তারা যাত্রীদের কাছ থেকে কেবিনের চাহিদাপত্র নিচ্ছেন। যা চলবে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত এবং যাচাই-বাছাই শেষে ৭ আগস্ট থেকে যাত্রীদের হাতে টিকিট তুলে দেয়া হবে। সুন্দরবন লঞ্চ কোম্পানির ম্যানেজার জাকির হোসেন জানান, আগামী ২/১ দিনের মধ্যেই তারা যাত্রীদের কাছ থেকে টিকিটের আবেদনপত্র নিতে শুরু করবেন। তারপর যাচাই-বাছাই করে টিকিট যাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
No comments:
Post a Comment