শামীম আহমেদ . বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের বেতন-ভাতার দাবিতে মানববন্ধন করেছে। বাংলাদেশ ৪র্থ শ্রেণী সরকারী কর্মচারী সমিতি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শাখার আয়োজনে ১৬/০৫/১৮ বুধবার সকাল ১১টায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি মো. মোছাদের আলীর সভাপতিত্বে বক্তরা বলেন, সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর ২১৫ জন কর্মচারী চাকুরীতে যোগদানের পর থেকে বেতন-ভাতা দেয়া হচ্ছে না। আগামী এক সপ্তাহের মধে বেতন-ভাতা প্রদান করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন তারা। এখানে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাহেব আলী, রুহুল আমিন, ইউসুফ আলী ও আঃ খালেক সহ অন্যান্যরা। উল্লেখ্য, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেলে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী পদে ২২৬ জন কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়। এরপর গত ২০১৬ সালে ১৮ জানুয়ারী স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় তাদের নিয়োগ আদেশ স্থগিত করে। এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করলে আদালত রিটকারীদের পক্ষে রায় প্রদান করেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার সুপ্রিম কোর্ট আপিল করলে কোর্ট পূর্বের রায় বহাল রাখে। এরই প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারী স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে তাদের কাজে যোগ দেয়। যোগদানের পর থেকে এখন পর্যন্ত কর্মচারীরা বেতন, ভাতা সহ কোন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে না বলেন তারা।
শামীম আহমেদ . বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের বেতন-ভাতার দাবিতে মানববন্ধন করেছে। বাংলাদেশ ৪র্থ শ্রেণী সরকারী কর্মচারী সমিতি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শাখার আয়োজনে ১৬/০৫/১৮ বুধবার সকাল ১১টায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের সভাপতি মো. মোছাদের আলীর সভাপতিত্বে বক্তরা বলেন, সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত ৩য় ও ৪র্থ শ্রেনীর ২১৫ জন কর্মচারী চাকুরীতে যোগদানের পর থেকে বেতন-ভাতা দেয়া হচ্ছে না। আগামী এক সপ্তাহের মধে বেতন-ভাতা প্রদান করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন তারা। এখানে বক্তব্য রাখেন- সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাহেব আলী, রুহুল আমিন, ইউসুফ আলী ও আঃ খালেক সহ অন্যান্যরা। উল্লেখ্য, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেলে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণী পদে ২২৬ জন কর্মচারী নিয়োগ দেয়া হয়। এরপর গত ২০১৬ সালে ১৮ জানুয়ারী স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় তাদের নিয়োগ আদেশ স্থগিত করে। এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করলে আদালত রিটকারীদের পক্ষে রায় প্রদান করেন। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে সরকার সুপ্রিম কোর্ট আপিল করলে কোর্ট পূর্বের রায় বহাল রাখে। এরই প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারী স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের নির্দেশে তাদের কাজে যোগ দেয়। যোগদানের পর থেকে এখন পর্যন্ত কর্মচারীরা বেতন, ভাতা সহ কোন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে না বলেন তারা।
No comments:
Post a Comment