ভবন মালিক কে জিম্মি করে চলছে রিপন হাওলাদারের হোটেল ব্যাবসা ।
বায়ান্নোর বাংলা ডেক্স . নগরীর প্রান কেন্দ্র গির্জা মহল্লায় হোটেল মালিককে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। লেচুশাহ মাজারের সম্মুখে রাজমনি আবাসিক হোটেল। ভবন মালিকের নাম হাজি হারুন-অর রশিদ।তিনি বটতলা পুরাতন পাচঁ পোট অফিস গল্লির স্হানীয় বাসিন্ধা।স্হানীয় সুত্রে থেকে জানা যায়, গত পাচঁ বছর আগে চন্দ মোহন ইউনিয়নের টোংচর গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের পুত্র রিপন হাওলাদার(৩৫) তিনি রাজমনি ভবনের ৪র্থ তলায় আবাসিক হোটেল দিবে বলে সব কটি ফ্লাট ৫ বছরের জন্য বায়না চুক্তি সহ নিয়ম অনুশারে ভাড়া নেয়। নিয়ম অনুযায়ী রিপন হাওলাদার সৎ ভাবে ব্যবসা পরিচালনা করবে,এই মর্মে হোটেল মালিক তাকে ভাড়া প্রধান করেন।দুই তিন বছর যেতে না যেতেই রিপন হাওলাদার নানা অপকর্মে জড়িয়ে পরেন। বিষয়টি হোটেল মালিক জেনে যায়,এবং তাকে হোটেল ছাড়ার আদেশ দিলে ও তা তিনি শুনছে না। ৩ মাসের মধ্যে হোটেল ছাড়ার নিয়ম থাকলেও রিপন হাওদার কোন নিয়ম নীতির তোক্কা না করেই বছরের পর বছর জোড় পুর্বক থাকছেন।ঠিক মত ভাড়া দিচ্ছেন না।বকেয়া রয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।টাকা চাইতে গেলে খারাব আচারন করছেন প্রতি নিয়ত। গত কয়েক দিন আগেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে হোটেলে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা সহ দুইজন কর্মচারীকে আটক করেন। রিপন হাওলাদার রয়েছেন ধরা ছোয়ার বাহিরে।এদিকে ঔ ভবন মালিকের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলেন, রিপন হাওলাদার এখনও হুমকি ধামকি অবহৃত রেখেছেন।তারা বলেন আমরা নিরাপত্তাহীনতা আছি। অন্য দিকে রিপনের গ্রামের বাড়িতে খোজ নিয়ে জানা যায়, রিপনের রয়েছে বিশাল বাহিনী, তাদের দিয়েই চলছে তার রাজক্ত।মাছ ধরা ট্রুলার আটকিয়ে চাদা আদায় সহ সব স্হানে তার মাদকের রমরমা ব্যবসা। হোটেল ব্যবসার আড়ালে চলত তার যত অপ কর্ম।শুধু তাই নয় নারীদের দেহ ব্যবসা থেকে শুরু করে মদ, জুয়া,ইয়াবা,ফেনসিডিল,গাজা সহ যত প্রকার নেশা জাতীয় দ্রব্য নানা অভিযোগ। রিপন হাওলাদারের মোবাইলে একাধিক বার কল দিলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায় ।
বায়ান্নোর বাংলা ডেক্স . নগরীর প্রান কেন্দ্র গির্জা মহল্লায় হোটেল মালিককে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। লেচুশাহ মাজারের সম্মুখে রাজমনি আবাসিক হোটেল। ভবন মালিকের নাম হাজি হারুন-অর রশিদ।তিনি বটতলা পুরাতন পাচঁ পোট অফিস গল্লির স্হানীয় বাসিন্ধা।স্হানীয় সুত্রে থেকে জানা যায়, গত পাচঁ বছর আগে চন্দ মোহন ইউনিয়নের টোংচর গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের পুত্র রিপন হাওলাদার(৩৫) তিনি রাজমনি ভবনের ৪র্থ তলায় আবাসিক হোটেল দিবে বলে সব কটি ফ্লাট ৫ বছরের জন্য বায়না চুক্তি সহ নিয়ম অনুশারে ভাড়া নেয়। নিয়ম অনুযায়ী রিপন হাওলাদার সৎ ভাবে ব্যবসা পরিচালনা করবে,এই মর্মে হোটেল মালিক তাকে ভাড়া প্রধান করেন।দুই তিন বছর যেতে না যেতেই রিপন হাওলাদার নানা অপকর্মে জড়িয়ে পরেন। বিষয়টি হোটেল মালিক জেনে যায়,এবং তাকে হোটেল ছাড়ার আদেশ দিলে ও তা তিনি শুনছে না। ৩ মাসের মধ্যে হোটেল ছাড়ার নিয়ম থাকলেও রিপন হাওদার কোন নিয়ম নীতির তোক্কা না করেই বছরের পর বছর জোড় পুর্বক থাকছেন।ঠিক মত ভাড়া দিচ্ছেন না।বকেয়া রয়েছে লক্ষ লক্ষ টাকা।টাকা চাইতে গেলে খারাব আচারন করছেন প্রতি নিয়ত। গত কয়েক দিন আগেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে হোটেলে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা সহ দুইজন কর্মচারীকে আটক করেন। রিপন হাওলাদার রয়েছেন ধরা ছোয়ার বাহিরে।এদিকে ঔ ভবন মালিকের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলেন, রিপন হাওলাদার এখনও হুমকি ধামকি অবহৃত রেখেছেন।তারা বলেন আমরা নিরাপত্তাহীনতা আছি। অন্য দিকে রিপনের গ্রামের বাড়িতে খোজ নিয়ে জানা যায়, রিপনের রয়েছে বিশাল বাহিনী, তাদের দিয়েই চলছে তার রাজক্ত।মাছ ধরা ট্রুলার আটকিয়ে চাদা আদায় সহ সব স্হানে তার মাদকের রমরমা ব্যবসা। হোটেল ব্যবসার আড়ালে চলত তার যত অপ কর্ম।শুধু তাই নয় নারীদের দেহ ব্যবসা থেকে শুরু করে মদ, জুয়া,ইয়াবা,ফেনসিডিল,গাজা সহ যত প্রকার নেশা জাতীয় দ্রব্য নানা অভিযোগ। রিপন হাওলাদারের মোবাইলে একাধিক বার কল দিলেও ফোন বন্ধ পাওয়া যায় ।
No comments:
Post a Comment